নিজস্ব প্রতিবেদক: কালিমুল্লা ইকবাল
“নদী বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে দেশের নদ-নদী রক্ষায় কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন নতুন কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। গত ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত সংগঠনের নির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ এক সভায় আগামী দিনের কার্যক্রম ও লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মো. আনোয়ার সাদত এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেন। এতে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন বিশিষ্ট পরমাণু গবেষক ড. হাসনাত আহমেদ হাশেমী এবং সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট খন্দকার আমিনুল হক টুটুল।
এছাড়াও সভায় অংশ নেন ড. মো. লুৎফর রহমান, ইকরাম ইলাহী খান সাজ, ড. লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. আনোয়ার হোসেন, মেজর (অব.) সাদ মাহমুদ, ড. মো. কামরুজ্জামান, ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম রুস্তম, ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ড. আ. গনি, অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম, ডা. বোরহানউদ্দিন অরণ্য, কালিমুল্লাহ ইকবাল, পুনম, সঞ্জয় চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট নদী, আজম খান, শাকিল আহমেদ, সিরাজুল ইসলাম ও নজরুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
সভায় দেশের নদ-নদী রক্ষায় ঘোষিত ১৭ দফা লক্ষ্য বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি নদী সংরক্ষণে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আরও কার্যকর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, নদী দখল ও দূষণ রোধে সমন্বিত ও শক্তিশালী উদ্যোগ গ্রহণ না করলে দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। তাই সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নদীর অধিকার রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের শ্রম, মেধা, সময় ও অর্থ দিয়ে এই আন্দোলনকে আরও বেগবান করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নদীমাতৃক বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষায় এ ধরনের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একইসঙ্গে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে নদী রক্ষার এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
