স্টাফ রিপোর্টার :
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজনীতিতে বংশানুক্রমিক ক্ষমতার ধারার অবসান ঘটাতে চায় জামায়াত। তিনি বলেন, একজন শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে এবং সেই মেধা থেকেই আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক তৈরি হবে।
মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মাঠে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, শিল্প এলাকা হওয়া সত্ত্বেও গাজীপুরে সড়ক, ড্রেনেজ, সুপেয় পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে চরম সংকট রয়েছে। অথচ এই এলাকা দেশের জিডিপিতে বড় অবদান রাখছে। তিনি বলেন, যার যত অবদান, তার তত মর্যাদা নিশ্চিত করাই ইনসাফ।
তিনি যুবসমাজকে বেকার ভাতা দিয়ে নয়, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে দেশের নেতৃত্বে আনার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি শ্রমিকদের সম্মান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলেন।
জামায়াতের আমির অভিযোগ করে বলেন, নারীদের প্রতি বৈষম্য এখনও প্রকট। সমান কাজ করেও নারী শ্রমিকরা কম মজুরি পান, বিশেষ করে মায়েদের সম্মান দেওয়া হয় না। এসব বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
গর্ভবতী মা ও শিশুর অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্তান আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত মায়েরা পাঁচ ঘণ্টা কাজ করবেন এবং বাকি সময় সন্তানকে দেবেন। এই সময়ের বেতন সরকার সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রদান করবে। শিল্প এলাকায় নির্দিষ্টসংখ্যক নারী শ্রমিক থাকলে সেখানে ডে-কেয়ার সেন্টার বাধ্যতামূলক করা হবে বলেও জানান তিনি।
গাজীপুরের সাত দফা দাবি প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে রেলক্রসিংয়ে ওভারপাসসহ সব সমস্যার সমাধান করা হবে। উন্নয়নের অর্থ কোথা থেকে আসবে—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নিজেদের নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করবে।
চাইলে এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত, হার্ড নিউজ ভার্সন বা অনলাইন পোর্টালের জন্য লিড-ফোকাসড করে দিতেও পারি।
