স্টাফ রিপোর্টার :
দেশের একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যুব সংগঠন জেসিআই বাংলাদেশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সচেতন নাগরিক ও সংগঠন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র দাবি করছে, সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনটির কার্যক্রমে রাজনৈতিক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাজনক ইঙ্গিত মিলছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, তৌফিক হাসান নামে এক ব্যক্তি বর্তমানে জেসিআই বাংলাদেশের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি অতীতে আওয়ামী লীগের কলাবাগান ইউনিটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এ নিয়ে সংগঠনের নিরপেক্ষতা ও অরাজনৈতিক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এছাড়াও সাবেক সচিব সভাপতি জামাল উদ্দিন চৌধুরীর সন্তান জাফির চৌধুরীর ভূমিকা নিয়েও আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সংগঠনের কিছু কার্যক্রমে তাঁর প্রভাব রয়েছে এবং তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের চেষ্টা হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।
অন্যদিকে, সম্প্রতি আয়োজিত একটি কনসার্টকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব অর্থ ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কার্যক্রম বা নির্বাচনী প্রভাব বিস্তারে ব্যবহৃত হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ পায়নি।
সচেতন মহলের অভিমত, যুব সংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তা গণতন্ত্র, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং তরুণ সমাজের ইতিবাচক ভূমিকার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা মনে করছেন, এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত জরুরি।
একই সঙ্গে জেসিআই বাংলাদেশসহ সব যুব সংগঠনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে সংগঠনের সহ-সভাপতি
তৌফিক হাসান বলেন, এটা আমাদের মানবিক সংগঠন। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই।আমরা সামাজিক ও মানবিক কাজ করে থাকি।
