স্টাফ রিপোর্টার :
গাজীপুরের টঙ্গীতে খেয়াঘাটে চাঁদাবাজি ও মাদক কারবার বন্ধ করতে গিয়ে মারধরের স্বীকার হয়েছেন টঙ্গী পশ্চিম থানা কৃষক দলের সভাপতি আব্বাস আলী। এঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি। ঘটনার পর থেকে এলাকা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
আহত আব্বাস আলী টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন পরাণ মন্ডলের টেক এলাকার মৃত সহর আলীর ছেলে। তিনি টঙ্গী পশ্চিম থানা কৃষক দলের সভাপতি।
এবিষয়ে আব্বাস আলী বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ পরাণ মন্ডলের টেক এলাকায় খেয়াঘাটে চাঁদাবাজি ও মাদক কারবার করছিল এক দল দুষ্কৃতিকারী। এসব চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছিলেন তিনি।
বুধবার আসরের নামাজের পর স্থানীয় নামধারী যুবদল নেতা মমিন চিশতির নেতৃত্বে ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসীরা তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তিনি ডান হাত, বুক, পিটে ও দুই পায়ে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা: নাফিস মজিদ বলেন, ভুক্তভোগী রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিছু স্থানে তারা আঘাত গুরুতর মনে হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মোমিন চিশতির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান বলেন, সন্ত্রাসীদের কোন দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে এই সব সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
