গাজীপুর প্রতিনিধি
“মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় আঘাত জেগে উঠেছে সাংবাদিক ও সুশীল সমাজ”
মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর ক্রমাগত আঘাত এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধের প্রতিবাদে গাজীপুরের টঙ্গীতে দৈনিক নওরোজ পত্রিকার সম্পাদক, সাংবাদিক শামসুল হক দুররানীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। টঙ্গী প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভা ১৫ ডিসেম্বর, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় টঙ্গী প্রেসক্লাবের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
টঙ্গী প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব মো. মেরাজ উদ্দিন সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্রের সভাপতি অলিদুর রহমান অলি সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ইউনিয়ন গাজীপুরের সাধারণ সম্পাদক মো. হেদায়েত উল্লাহ, টঙ্গী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, সাংবাদিক উন্নয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহজাহান শোভন, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) গাজীপুর মহানগরের সভাপতি মনিরুল ইসলাম রাজিব, টঙ্গী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদ আহমাদ রবিন, টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান সাহা, দৈনিক নওরোজ পত্রিকার টঙ্গী প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আকন্দ, শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের সাহিত্য সম্পাদক কবি আতিক শাহরিয়ার, দৈনিক খোলা কাগজ-এর টঙ্গী প্রতিনিধি সুজন সারোয়ার, কান্ট্রি টু ডে-এর কালিয়াকৈর প্রতিনিধি মো. আলাল সরকার, সাংবাদিক মো. ইউনুস আলী, সখিনা আক্তার, দেলোয়ার হোসেন, মোসা কিবরিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ।
সাংবাদিক ইউনিয়ন গাজীপুরের সাধারণ সম্পাদক মো. হেদায়েত উল্লাহ বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতাকে দমিয়ে রাখতেই একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করছে। সাংবাদিক শামসুল হক দুররানীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক যার কোনো নৈতিক কিংবা আইনগত ভিত্তি নেই।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করে কখনোই গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করা যাবে না। অবিলম্বে সাংবাদিক শামসুল হক দুররানীর নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এটাই আজকের সময়ের অনিবার্য দাবি।
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এই ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
স্বাধীনতার কণ্ঠ রোধের যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হবে আগামী দিনের অঙ্গীকার।
