Type Here to Get Search Results !
ব্রেকিং
খবর লোড হচ্ছে...

Footer Copyright

ইউনিয়ন বাণিজ্যের বিরুদ্ধে অবস্থান: হামলার পর থানায় পাল্টা অভিযোগের খবর পেলেন সাগর ইসলাম হৃদয়

NewsGazipur

 


ডেটলাইন: গাজীপুর 

ইউনিয়ন বাণিজ্য এবং “টেবিলের তলার হাতছানি”র বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন সংগঠক সাগর ইসলাম হৃদয়। তার দাবি, সম্প্রতি ইউনিয়ন বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট একটি ঘটনায় কথা বলতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলার চেষ্টা চলছে।


সাগর ইসলাম হৃদয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯ তারিখ বাগানবাড়ী ইউনিক ডিজাইন–এ ইউনিয়ন বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি খবর শোনার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গাজীপুর জেলা গার্মেন্ট ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের অফিসে যান। সেখানে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা রাসেলকে না পেয়ে তিনি ফেডারেশনের একজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে কথা বলেন। পরে জানতে পারেন রাসেল অফিসে এসেছেন—এ তথ্য পেয়ে তিনি আবার সেখানে যান।


তার অভিযোগ, আলোচনার এক পর্যায়ে রাসেলের সহকারী হিসেবে পরিচিত এবং কথিত “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন”–এর নেতা আল আমিন তার দিকে তেড়ে আসেন। উপস্থিত লোকজন তাকে আটকে দিলে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়। তবে সাগর ইসলাম হৃদয়ের দাবি, আলোচনা শেষে বের হওয়ার সময় গাড়িতে ওঠার আগ মুহূর্তে আল আমিনের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা করা হয়। পরে তার সহযোগীরা তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান বলে তিনি জানান।


তিনি বলেন, বিষয়টি তিনি তার সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন ভাইকে অবগত করেন এবং তাকে আশ্বস্ত করা হয় যে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হবে। কিন্তু এরপর হঠাৎ করে থানা থেকে ফোন করে জানানো হয়েছে—তার নামে পাল্টা অভিযোগ এসেছে।


সাগর ইসলাম হৃদয়ের দাবি, তার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে তিনি নাকি রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গিয়ে হুমকি দিয়েছেন এবং ৫ লাখ টাকা না দিলে খুন করে লাশ গুম করার কথা বলেছেন—যা তিনি “হাস্যকর ও সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে দাবি করেন।


এ বিষয়ে সাগর ইসলাম হৃদয় বলেন,

“ইউনিয়ন বাণিজ্যের বিরুদ্ধে আমার লড়াই অব্যাহত থাকবে। এসব অভিযোগ দিয়ে আমাকে থামিয়ে দেওয়া যাবে না। আমার কেন্দ্রীয় নেতারা যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, আমি সেভাবেই এগোব।”


ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ/থানা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি বা অভিযোগের নথিভুক্ত অবস্থাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।