খবর খুঁজুন
● ব্রেকিং
খবর লোড হচ্ছে...

সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের ওপর হামলা-অপহরণের প্রতিবাদে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে টঙ্গীতে মানববন্ধন,

প্রতিনিধি - Md. Shamim Reza •
সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের ওপর হামলা-অপহরণের প্রতিবাদে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে টঙ্গীতে মানববন্ধন,


 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

দৈনিক কালবেলার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের ওপর হামলা, অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন, চাঁদা দাবি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগের প্রতিবাদে গাজীপুরের টঙ্গীতে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে  মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন থেকে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।


শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের সামনে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের ওপর হামলা ও অপহরণের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে অপহরণ, নির্যাতন, চাঁদা দাবি কিংবা ব্যক্তিগত সম্মানহানির হুমকির মুখে পড়তে হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য অশনিসংকেত। অপরাধ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব।


সংগঠনের সাংগঠন সম্পাদক কামাল খান  বলেন, সাংবাদিকের কলম স্তব্ধ করে অপরাধ আড়াল করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।


সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এ,কে, এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কালিমুল্লাহ ইকবালের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাদাত হোসেন কামাল (খান) বিএনপি নেতা বি. এম. শামীম, গাজীপুর সেন্ট্রাল ক্লাবের সভাপতি আব্দুল ওহাব রিঙ্কু, গাজীপুর মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান জিলানী, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল বারী চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউদ্দিন খান।

গাজীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আবুল বাশার পলাশ,জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ওয়েলফেয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি গাজী মামুন,ইনফো  টেলিভিশনের সম্পাদক আওলাদ হোসেন, 

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন টঙ্গী পূর্ব থানার যুগ্ন আহবায়ক মোক্তার হোসেন,টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান শাহা,

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকার টঙ্গী প্রতিনিধি রেজাউল কবির রাজীব,সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ পাপেল মিয়া, সাংবাদিক মামুন হাসান,সাংবাদিক সুজন সারওয়ার,সাংবাদিক পারভীন ইতি,সাংবাদিক  মো. আনু হাসান,

সাংবাদিক মহুয়া  সাংবাদিক মোহাম্মদ শামীম রেজা, সাংবাদিক হানিফ মিয়া,সাংবাদিক মামুন আহসান,সাংবাদিক মো. খোকন মিয়া, সাংবাদিক জসীম উদ্দীন জুয়েল,ও  সংগঠনে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি এস এম কামাল,সহ-সভাপতি সিকান্দার আনন্দ,

সহ-সাধারণ সম্পাদক রুম্মান শেখ, 

সহ-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলম জুয়েল,দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক মামুন আহমদ ফিরোজ,সহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


মানববন্ধনে কালিমুল্লাহ ইকবাল বলেন, “সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়, বরং সমাজের অপরাধ, অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরাই সাংবাদিকদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন সাংবাদিক যদি অপহরণ, নির্যাতন, চাঁদাবাজি কিংবা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হন, তাহলে তা শুধু ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না; চাই সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার। মহিন উদ্দিন রিপনের ঘটনায় অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তাঁর ও পরিবারের নিরাপত্তা দিতে হবে। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের ঊর্ধ্বে থাকার সুযোগ দেওয়া যাবে না।”


মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ, গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়।


 কেন্দ্রীয় সভাপতি এ,কে এম আজিজুল হক বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে সত্য প্রকাশের অধিকার এবং সাধারণ মানুষের তথ্য জানার অধিকার সুরক্ষিত করা। তাই এ ঘটনায় দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।